মে 21, 2022

Disha Shakti News

New Hopes New Visions

আর কয়েক ঘণ্টা পরেই পরেই সাধারণ বাজেট

আর কয়েক ঘণ্টা পরেই পরেই সাধারণ বাজেট। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন দাবি করেছেন, গত ১০০ বছরে দেশে এমন সংস্কার কেউ প্রত্যক্ষ করেননি। অন্য দিকে অর্থনীতি বিশেষজ্ঞদের অনেকেই বলছেন, বৈপ্লবিক সংস্কার নয়, সময় এসেছে আগে অর্থনীতির হাল ধরে এই কঠিন সময় পার করার।

গত প্রায় ৯ মাস ধরে বাজার ডামাডোলে রয়েছে। এর মধ্যে একটা বড় সময়ই ঝাঁপ বন্ধ ছিল বাজারের। মানুষজন চাকরি হারিয়েছেন, আয় কমেছে, পাশাপাশি করোনা আক্রান্তদের বড় খরচের ধাক্কাও সামলাতে হয়েছে। ২০১৯-২০ আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে, অর্থনীতি শুধু একটা সংখ্যা নয়। বাজেটও শুধু সংখ্যা নয়। এর অভিঘাত আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ঠিক কতটা গভীর।

মাথায় রাখতে হবে, ২০২১-২২ এ অর্থনীতির বৃদ্ধির হার ১১ শতাংশে ফেরাটা কিন্তু দেখতে হবে ২০১৮-১৯ এর আলোতে। যদিও এটা ঠিক যে, আইএমএফ-সহ বিভিন্ন সংস্থা এবং দেশের আর্থিক সমীক্ষাও দাবি করেছে, এই বৃদ্ধি উন্নয়নশীল দেশগুলির মধ্যে সর্বাধিক। শুধু উন্নয়নশীল দেশ কেন, অনেক উন্নত দেশের চেয়েও বেশি। কিন্তু মাথায় রাখতে হবে, ভারতের গড় সঙ্কোচন অতিমারি কালে কিন্তু ৭.৫ শতাংশের উপরে। এখনও পর্যন্ত এগুলি সবই সমীক্ষা এবং অনুমান। আসল ক্ষতির পরিমাণ আমাদের হাতে আসতে আরও সময় লাগবে। কিন্তু যদি ২০১৮-১৯ এর পাশে এই ঘুরে দাঁড়ানোকে তুলনা করে ধরে নেওয়া যায় যে, ১৯-২০ আমাদের জীবনে নেই, তা হলে আসল বৃদ্ধির হার দাঁড়াবে মাত্র ২.৬ শতাংশের আশপাশে। সেটা কিন্তু অন্য দেশের তুলনায় বেশ কম। এই পরিপ্রেক্ষিতে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, মানুষের হাতে যদি আরও বেশি টাকা তুলে না দেওয়া যায়, অর্থনীতিতে বাজারে খরচের প্রবণতা না ফেরানো যায়, তা হলে বৃদ্ধির হার বাড়ানো যাবে না। আর সেটা করতে গেলে সরকারের খরচ বাড়াতে হবে। কিন্তু যখন কোষাগার প্রায় তলানিতে বলে মনে করা হচ্ছে, তখন সরকারের কাছে একমাত্র উপায় হচ্ছে, আরও বেশি ধার করা। কিন্তু সেই রাস্তাও খুব পিচ্ছিল। কারণ, আজ ধার করলে কাল শোধ করতে হবে।

Report by web desk
Reported on – 01/02/2021

Share this News
error: Content is protected !!