মে 21, 2022

Disha Shakti News

New Hopes New Visions

বিসর্জনে ফিরল বিষণ্ণতার স্মৃতি


নিজস্ব সংবাদদাতা : অনেক বছর পর সেই ফেলে আসা দিনের পুনরাবৃত্তি ঘটল। প্রবল শব্দে বাজি ফাটিয়ে,গগনভেদী ডিজের সঙ্গে উদ্দাম নেচে প্রতিমা বিসর্জন নয়। প্রশাসনের নজরদারিতে হাতে গোনা গুটিকয় মানুষ। সঙ্গে একটি কী দু’টি ঢাক। অতিমারি কালের দশমী ছিল শান্ত, বিষণ্ণ। হেমন্তের হিম সন্ধ্যায় ‘মাকে ভাসাইয়া জলে’ ফেরার সময় চেনা চিৎকার ‘আসছে বছর আবার হবে’ সে ভাবে শোনা গেল না এবার। রানাঘাট শহর লাগোয়া পান্থপাড়ার পুজোর শোভাযাত্রা গত কয়েক বছর ধরে মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। যা দেখার জন্য রাস্তার দু’ ধারে হাজার হাজার মানুষ অপেক্ষা করেন। এ বার ছবিটা একদম বিপরীত। পুজো কমিটির সম্পাদক সঞ্জীব সরকার বলেন, “এ বার পুজো থেকে বিসর্জনের অনেক কিছুই বাদ দিয়েছি। মাত্র একটি ঢাক নিয়ে প্রতিমা বিসর্জন দিতে গিয়েছিলাম।” রানাঘাট শহরের পূর্ব পাড়ে পাইকপাড়া ব্রতী সঙ্ঘের পুজোয় অন্য বছর শোভাযাত্রা সহযোগে দুপুরে ঘট এবং রাত্রে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়। তাদের শোভাযাত্রাও নজরকাড়া। পুজো কমিটির সম্পাদক সুব্রত দত্ত বলেন, “করোনার কারণে এ বার শোভাযাত্রা বাতিল করা হয়েছে। শুধুমাত্র ঢাক নিয়ে ঘট ও প্রতিমা বিসর্জন দিয়েছি।” তবে নদিয়ার বাদকুল্লায় অবশ্য সোমবার বড় পুজোর বিসর্জন হয়নি। বুধবার থেকে বিভিন্ন বারোয়ারি তাদের প্রতিমা নির্দিষ্ট সময়ে বিসর্জন দেওয়া শুরু করেছে। ফুলিয়ায় কোনও শোভাযাত্রা ছাড়া ন্যূনতম লোক নিয়ে প্রতিমা বিসর্জন পর্ব মিটেছে। নদীর ঘাটে ক্রেনের ব্যবস্থা ছিল। বেথুয়াডহরি বিসর্জনেও ছিল সেই মনখারাপের আবহ। এ বছর নিঃশব্দেই চলে গেলেন মা। করোনা কালে বির্সজনের আনন্দ হুলোড় সম্পূর্ণ ভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশ ছিল আর তাতেই বিসর্জন জৌলুসহীন। অন্য বার বেথুয়াডহরি দশমীর সন্ধ্যায় আলো আর বাজির শব্দে ভরে ওঠে। এবার ছিল ব্যতিক্রম। প্রতিটি পুজো কমিটি মণ্ডপের সামনে বাজনা বাজিয়ে ভাসানের আনন্দ সেরেছেন। জৌলসুহীন বিসর্জনেই এ বার দেবীর কৈলাস-গমন

Share this News
error: Content is protected !!