মে 21, 2022

Disha Shakti News

New Hopes New Visions

মিছিল-জমায়েত-রেল অবরোধ


নিজস্ব সংবাদদাতা : পুলিশ-প্রশাসনের তত্পরতায় সেভাবে বনধ পরিলক্ষিত না হলেও সাধারণ মানুষ অন্য দিনের তুলনায় রাস্তায় কম বেরিয়েছেন। এদিন সকাল থেকেই কলকাতা থেকে শহরতলী কিংবা গোটা রাজ্যে বেশ কিছু বিক্ষিপ্ত গণ্ডগোলের ঘটনা ঘটেছে। তা ছাড়া মোটের উপর শান্তিপূর্ণভাবেই এই বনধ হচ্ছে। সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ’তে ধর্মঘটিরা জোর করে রাস্তায় শুয়ে পড়ে বাস-গাড়ি চলতে বাধা সৃষ্টি করেছেন, কিন্তু সামান্য বাদেই পুলিশ গিয়ে সেই অবরোধ উঠিয়ে দেয়। ফলে সমস্যা খুব একটা হয়নি। শহরের মধ্যে লেনিন সরণীতে জোর করে দোকান বন্ধ করে দেওয়ার খবর সামনে এসেছে। মেট্রোর সেন্ট্রাল ও চাঁদনি চক স্টেশনে ঢোকার চেষ্টা করেন ফরওয়ার্ড ব্লক সমর্থকরা । সেখানে পুলিশের সঙ্গে গণ্ডগোলও বেঁধে যায়। খিদিরপুরে মিছিল চলে বাম-কংগ্রেসের। এদিকে নিউটাউনের রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান ধর্মঘটীরা । গড়িয়াতেও বাস আটকে বিক্ষোভ বামেদের। বাসের হাওয়া খুলে দেওয়ার অভিযোগের পাশাপাশি অটো থেকেও নামিয়ে দেওয়া হয় যাত্রীদের । পাশাপাশি, বারাসত চাঁপাডালি মোড়, তিতুমীর বাসস্ট্যান্ডে ধর্মঘটের সমর্থকদের অবরোধ চোখে পড়ে । পাশাপাশি, বিক্ষোভ দেখান ফরোয়ার্ড ব্লক সমর্থকরাও। যশোর রোডের একাধিক জায়গায় সকাল থেকেই পুলিশের সঙ্গে কার্যত লুকোচুরি খেলা চলেছে বাম সমর্থকদের। হাওড়া ও শিয়ালদহ শাখার বিভিন্ন স্টেশনে সকাল থেকেই অবরোধ চললেও বেশিক্ষণ তা চলেনি। পুলিশ এসে লাঠিচার্জ করে তা তুলে দেয়, ফলে সকাল ১০ টার পর থেকে কার্যত স্বাভাবিক হয়ে যায় ট্রেন চলাচল। শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার ক্যানিং লাইনের বেতবেড়িয়া ঘোলা ষ্টেশনে ট্রেনের ওভার হেডের তারে কলাপাতা দিয়ে দেয় ধর্মঘটকারীরা। আর এরই জেরে সকাল ৬ টা থেকে বন্ধ হয়ে যায় শিয়ালদহ ক্যানিং শাখার সমস্ত ট্রেন চলাচল। পরে তা স্বাভাবিক হয়। মধ্যমগ্রাম স্টেশনের কাছে ডাউন বনগাঁ লোকাল লক্ষ্য করে পাথর ছোড়েন ধর্মঘটের সমর্থকরা। হাওড়া দাসনগর এলাকায় সাধারন ধর্মঘটের অন্য চিত্র ধরা পড়েছে। রাস্তায় বসে লুডো খেলছেন বনধ সমর্থকরা। অপরদিকে বাঁকুড়ার বড়জোড়ার চৌমাথা মোড় অবরোধ করা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে বচসায় লিপ্ত হয়ে পড়েন ধর্মঘটীরা। ইতিমধ্যেই ৫০ জন বিক্ষোভকারীকে আটক করেছে পুলিশ।তবে শহর ও শহরতলির রাস্তায় বাস-গাড়ির দেখা মিললেও সেভাবে লোকের দেখা মেলেনি। নবান্ন, রাইটার্স, স্বাস্থ্য ভবন থেকে শুরু করে সব পুরসভা কিংবা জেলাশাসকের দফতর সব জায়গাতেই কর্মীদের উপস্থিতির হার ৯৫ থেকে ৯৯ শতাংশের মধ্যেই রয়েছে।

Share this News
error: Content is protected !!