জানুয়ারী 28, 2023

Disha Shakti News

New Hopes New Visions

৭ টা মিথ্যে বলেছেন অমিত শাহ, দাবি ডেরেক ও’ব্রায়েনের


নিজস্ব সংবাদদাতা : তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন দাবি করেছেন, বাংলায় এসে ৭ টি মিথ্যে কথা বলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। টুইটে বিজেপিকে ‘পর্যটক দল’ ও অমিত শাহকে সেই দলের ‘সর্দার’ বলে কটাক্ষ করেন ডেরেক । লেখেন, সাতটি ভুয়া তথ্য দিয়ে নিজের মর্যাদা আরও খর্ব করেছেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। কী এই সাত অসত্য?এক , অমিত শাহের অভিযোগ, ‘বাংলার মানুষকে ‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্প থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।’ তৃণমূলের দাবি, ‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্পের দু’বছর আগে ‘স্বাস্থ্যসাথী’ বাংলায় চালু হয়েছিল। এই প্রকল্পের অধীনে প্রায় দেড় কোটি পরিবার বার্ষিক ৫ লক্ষ টাকার স্বাস্থ্যবীমার সুবিধা পেয়েছে। দুই , অমিত শাহের অভিযোগ, ‘পিএম কিসান যোজনা’ থেকে বাংলার কৃষকদের বঞ্চিত করছে তৃণমূল সরকার। তৃণমূলের দাবি, বাংলার ‘কৃষকবন্ধু’ প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের একর প্রতি বছরে ৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়। কিন্তু কেন্দ্রীয় প্রকল্পে একর প্রতি মাত্র ১,২১৪ টাকা দেওয়া হয়। ‘শস্যবিমা’র ক্ষেত্রে কৃষকদের হয়ে সম্পূর্ণ প্রিমিয়াম দেয় রাজ্য সরকার। কিন্তু কেন্দ্রের প্রকল্পে কৃষকদের থেকেই প্রিমিয়ামের একাংশ নেওয়া হয়।তিন , অমিত শাহের অভিযোগ, বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার বাংলা সফরে পর্যাপ্ত সুরক্ষা দেয়নি রাজ্য। তৃণমূলের দাবি, রাজ্য সরকার জেপি নাড্ডার জন্য ‘জেড প্লাস’ সুরক্ষার ব্যবস্থা করেছিল। তবে অনেকগুলি গাড়ির কনভয় তাঁকে অনুসরণ করায় ওই সুরক্ষা সমস্যা হয়। চার , কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘অন্য দলে যোগ দেওয়ার জন্য কংগ্রেস ছেড়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর আজ দলত্যাগের জন্য অন্যদের আক্রমণ করছেন।’ এই তথ্যকে সম্পূর্ণভাবে অসত্য বলে দাবি করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। তাঁদের পালটা দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনওদিন দলবদল করেননি, ১৯৯৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেস তৈরী করেছেন তিনি। পাঁচ , অমিত শাহ বলেছেন ৩০০ বিজেপি কর্মী সমর্থক খুন হয়েছেন গত দেড় বছরে। ডেরেক ও’ব্রায়েন জানান, বিজেপি কর্মীরা নিজেদের মধ্যে মারামারি করে প্রাণ হারিয়েছেন। আর কেউ আত্মহত্যা করলেও, সেটাকে খুন বলে চালানো হচ্ছে।ছয় , অমিত শাহর দাবি অনেক গরীব মানুষকে ঘর দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। ডেরেক ও’ব্রায়েনের দাবি ২০১১-২০ সাল পর্যন্ত কেন্দ্র রাজ্য মিলিতভাবে ৩৩,৮৭,০০০ ঘর তৈরি করেছে। খরচ হয়েছে মোট ৩৯,৯৯৩ কোটি টাকা। এদিকে রাজ্য ৩,৯০,০০০ ঘর তৈরি করেছে গীতাঞ্জলি প্রকল্পে, তাতে ৩৫৫০ কোটি টাকা খরচ হয়েছে।অমিত শাহের অভিযোগ, মোদি সরকার বাংলার মানুষের জন্য যে খাদ্যশস্য পাঠিয়েছে, তা বাংলার সরকার ঠিক মত দিচ্ছে না। ডেরেক ও’ব্রায়েন জানান ,খাদ্য সাথী প্রকল্পে ২০২১ সালের জুন পর্যন্ত ১০ কোটি মানুষকে ফ্রিতে রেশন দিচ্ছে বাংলার সরকার।

Share this News
error: Content is protected !!